রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

২ নং টিয়াখালী ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
মোঃ মাসুম খন্দকার কলাপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি / ১০৬ বার
আপডেট : রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১

কলাপাড়া ২নং টিয়াখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা মশিউর রহমান শিমু,র বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলা করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে(৪ ডিসেম্বর)শুক্রবার বেলা ১১ টায় কলাপাড়া প্রেস ক্লাব এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে কলাপাড়া উপজেলার ২ নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আখতারুজ্জামান কোক্কা,র পক্ষে চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারি মোঃ জুলহাস মোল্লা লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।লিখিত বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো। সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ আসসালামু আলাইকুম কলাপাড়া ২ নং টিয়াখালী ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ও কলাপাড়া উপজেলা যুবলীগের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু,র বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল মিথ্যা মামলা দিয়ে অহেতুক হয়রানি ওমান সম্মানের হানি ঘটানোর জন্য কতিপয় লোকজন অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য চেয়ারম্যান হওয়ার পর হইতেই তার জনপ্রিয়তা বিনষ্ট করার পাঁয়তারা করিয়া আসিতেছে তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৯/১১/ ২০২০/ ইংরেজি তারিখঃ কলাপাড়া থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়া সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু,র বিরুদ্ধে দীর্ঘ জীবনের রাজনীতি সুনাম বিনষ্ট করার জন্য গ্রেফতার করে কুচক্রী মহল মামলার উল্লেখিত করে যে সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম এর নিকট হইতে চাঁদা দাবি করিয়াছে এবং চাঁদা না দেয়ায় তাকে মারধোর করিয়াছে যারা সম্পূর্ণ সাজানো ও বানোয়াট বটে কারণ সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের একজন সন্তান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় তিনি বিশ্বাসী তার দাদা মরহুম সৈয়দ আবুল হোসেন সাহেব একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক এম,সি,এ । তার বাবা সৈয়দ আখতারুজ্জামান কোক্কা বর্তমান কলাপাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ডার সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান তিনি কখনো মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে এমন কাজ করতে পারেনা কেবলমাত্র অহেতুক ভাবে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার লিপ্ত হইয়া একদল লোক ফায়দা লোটার জন্য তাহার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়াছে কলাপাড়া উপজেলা চাকমাইয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা তালতলী জাকিতুব দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ সাইফুল্লাহ হাওলাদার ছেলে হোন্ডা চালক মোঃ মিরাজ হালদারের কাছে ১ নং চাকমাইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন হুমায়ুন কবির কেরামত হাওলাদার ও তার ছেলে বেশ কিছুদিন যাবৎ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে এবং চাঁদা না দিলে রাস্তায় হোন্ডা চালাতে দিবে না জানায়। গত ২৯/ ১১/ ২০২০/ইংরেজি তারিখ রোজ রবিবার বিকেল ৪:০০ঘটিকায় চাঁদার টাকার দাবিতে চাকমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুকুমে তাহার ছেলে হাসিব হাওলাদার দলবল নিয়ে অস্ত্র-শস্ত্র সজ্জিত হইয়া অস্ত্রের মহড়া দিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক সাইফুল্লাহর বসতবাড়িতে গিয়ে ঘরের বেরা ধৈর্য জানালা ভাঙচুর করিয় মিরাজকে টানা হেচরা কোরিয়া পরিত্যক্ত ঘোষণা করা বিসমিল্লা ব্রিকফিল্ড নিয়ে যায় ব্রিকফিল্ড নিয়ে ছোট একটি অফিসে কক্ষে মিরাজকে অবরুদ্ধ করে ছেনা, ইট, রড, দাঁড়া কুপিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে উক্ত কাজে মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম(৬৪)প্রকাশ্যে ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করে কারণ বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির কেরামত হাওলাদারের সাজানো পুতুল পরে স্থানীয় লোকজন মিরাজকে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাৎক্ষণিক শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করে এই ব্যাপারে মিরাজের বাবা কলাপাড়া থানায় মামলা করতে আসিলে শত্রু পক্ষের লোকজন দ্বারা প্রবাহিত হইয়া মামলা গ্রহণ না করায় বিলম্বে গত ২/১২/২০২০ইং তারিখ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির কেরামত হাওলাদার প্রধান আসামি করে মোকাম পটুয়াখালী আইনশৃঙ্খলা বিঘ অপরাধ (দ্রুত বিচার)আদালতে ১০/২০২০নং একটি মামলা দায়ের করেন বর্তমানে মিরাজ ও মিরাজ এর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছে মিরাজের ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য ১ নং চাকামইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির কেরামত হাওলাদার বাহিনীর লোকজন নিজেরাই মুক্তিযুদ্ধের শাহ আলম কে মারধর করে সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু দড়িত এই মিথ্যা মামলা আনয়ন করে এই ঘটনার সাথে টিয়াখালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু কোনোভাবেই জড়িত নাহে এবং একজন চেয়ারম্যান উপস্থিত থেকে চাঁদার জন্য একজন মুক্তিযোদ্ধা কে মারধোর করতে পারেনা পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ৬/২/২০১৯খ্রিঃথেকে মেসাস বিসমিল্লাহ ব্রিক অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে এছাড়াও অবৈধভাবে বিসমিল্লাহ ব্রিকস কার্যক্রম চালিয় যাচ্ছে সত্য অধিকারী মোঃ মশিউর রহমান যেখানে মালিক বিসমিল্লাহ ব্রিকসের মালিক মতিউর রহমান সেখানে মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলমের কাছে কোন ভাবি চাঁদা দাবি করতে পারে না এই ঘটনার সাথে চেয়ারম্যানকে জড়িত করায় আমরা তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই গত ০১/১২/২০২০ ইং তারিখ চেয়ারম্যান সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু কে নিয়ে যে মানব বন্ধন করা হয়েছে তাহার মূল উদ্দেশ্য ছিল উপজেলা নির্বাচনের প্রতি হিংসা। চেয়ারম্যান সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু জনগনের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন তিনি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ইউনিয়ন পরিষদের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন আজও পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের প্রাণ সংগ্রামী বিতরণ নিয়ে কোনো বিতরকের সম্মুখীন হননি বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনাভাইরাস সময়কালীন নিজস্ব অর্থায়নে এলাকার সকল পেশার জনগণের প্রায় ১৪০০ পরিবার নগদ অর্থ ও খাবার পৌঁছে দিয়েছেন টিয়াখালী ইউনিয়নবাসী তার পাশে আছে তিনি গ্রেফতার হওয়ার পর এ এলাকার হাজার হাজার জনগণ তার মুক্তির দাবিতে রাস্তায় বিক্ষোভ মিছিল করেন 2016 সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে 2 নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের হয়ে জনগণের সেবা ও জননেত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলা ওবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নের লক্ষে একান্ত সৈনিক হয়ে জনগণের সাথে নিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তাঁর এই জনপ্রিয়তা দক্ষতাকে জরাজীর্ণ করার জ

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ