সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

মধুপুরে নতুন ভোজ্য তৈল জাতীয় ফসলের নমুনা শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
মো. আব্দুল হামিদ,মধুপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি / ১৩ বার
আপডেট : সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

টাঙ্গাইলে মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের আউশনারা গ্রামের কৃষক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান এর জমিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মধুপুরের ত্বত্তাবধানে নতুন ভোজ্য তৈল জাতীয় ফসল পেরিলার (সাউ পেরিলা-১) বীজ উৎপাদন কর্মসূচী প্লটের বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর নমুনা শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি তত্ত্ব বিভাগের সহযোগিতায় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মধুপুর, টাঙ্গাইলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত উক্ত নমুনা শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ ছরোয়ার আলম খান আবু। মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শরীফ আহমেদ নাছির, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান যষ্টিনা নকরেক, আউশনারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম মোস্তফা। উক্ত অনুষ্ঠানে আউশনারা ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকগণ, স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ আউশনারা ব্লকের উপ-সহকারী কৃষিকর্মকর্তা মোঃ জাহিদ সহ অন্যান্য ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাহমুদুল হাসান জানান, পেরিলা ফসলটির বিশেষত্ব হলো এর বীজ থেকে প্রাপ্ত তৈলে ৫০-৫৫% লিনোলিনিক এসিড থাকে যা (ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের প্রধান উৎস)। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী। এবং পেরিলাতে ক্ষতিকারক কোন ঊৎঁপরপ ধপরফ নেই। পেরিলার বীজ হতে প্রায় ৪০% তৈল আহরণ করা যায়। যার প্রায় ৯১% -ই অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড। দেশীয় পদ্ধতির প্রচলিত ঘানিতে এই বীজের তৈল আহরণ করা যায়। বীজে প্রায় ২৫% আমিষ পাওয়া যায় তাই তৈল আহরণের পর প্রাপ্ত খৈল গবাদী পশুর জন্য পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এর খৈল জৈব সার হিসেবে জমির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে বলেও তিনি জানান। পেরিলার এই জাতটি খরা সহনশীল। তীব্র বৃষ্টিতে ও বাতাসে গাছ হেলে পড়ে না। তবে পানি জমে থাকে না এবং প্রায় সব ধরনের মাটি এই ফসল চাষের উপযোগী। খরিপ-২ মৌসুম, বীজ বপনের সময় ১৫ জুলাই – ২৫ জুলাই পর্যন্ত। প্রতি হেক্টরে ১.০-১.৫ কেজি বীজের প্রয়োজন। চারা রোপণের ৭০-৭৫ দিনের মধ্যে পেরিলার ফসল সংগ্রহ করা যায়। হেক্টর প্রতি ফলন ১৩০০ হতে ১৫০০ কেজি হয়ে থাকেও বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ