শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

সেতাবগঞ্জ এর ওষুধ ফার্মেসী গুলোতে অবাধে বিক্রয় হচ্ছে বিভিন্ন নেশা জাতীয় ট্যাবলেট।
খাঁন মোঃ আঃ মজিদ জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর থেকে / ২৯ বার
আপডেট : শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০

সেতাবগঞ্জ পৌরসভা ধীন চৌরাস্তা আবাসিক হোটেল সংলগ্ন বিসমিল্লাহ ফার্মেসী, আশা সিনেমা হল রোড সাখাওয়াত চৌধুরী মেডিসিন হাউজ, ছুটকুর মোড় মিলরোড চামেলি মেডিকেল স্টোর দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ ফার্মেসীর মালিক গণ মরণ নেশা ট্যাবলেট বিক্রয় করে চলেছে। আগের মূল্য ছিল ১ ড্রোজ ৩০ টাকা বর্তমান ৩০০ টাকা।যেমনঃ ৭৫ ট্যাবলেট, টেন্ডার, শীনটা ১০০,এজিএম, ব্যথা নাশক ট্যাবলেট ইত্যাদি। এই ট্যাবলেট মাদক হিসেবে বেছে নিয়েছে উঠন্ত বয়সের যুব সমাজ। আজ তারা ধ্বংসের মুখে। অভিভাবক মহল লজ্জিত। প্রকাশ্যে বলার মতো ক্ষমতা নেই। যদিও কেউ প্রতিবাদ করে তাদের ভয়ভীতি, প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে থাকে। যার কারনে অভিভাবক মহল অপরাধীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারছে না। সেতাবগঞ্জ এলাকা সূত্রে জানা গেছে, ওষুধ ফার্মেসীর মালিক গণ ছিছকে মাস্তান সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে থাকে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন যদিও বেশকিছু দিন তরপর ছিল। অনুসন্ধানে জানা গেছে ওষুধ ফার্মেসীর মালিক গণ এর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে থাকে। পরবর্তীতে প্রতি মাসে মাশোহারা বোচাগঞ্জ থানার কোন এক কনেস্টবলের মাধ্যমে উত্তোলন করে। রক্ষক যদি ভক্ষক হয় এই সমাজ থেকে মরণনিশা নির্মূল করতে পারবে না। চোরকে বলে চুরি করতে। গিরস্তকে বলে সজাগ থাকতে। উঠন্ত বয়সের যুব সমাজ টাকা জোগাড় করতে অভিভাবক মহলকে চাপ সৃষ্টি সহ বাড়ি ঘর আসবাব পত্র ভাঙচুর করছে এবং চুরি ছিনতাই রাহাজানি লুটতরাজ মানুষ পর্যন্ত খুন করতে দিধা বধ করে না। এই ধরনের ঘটনা এই দেশে অহরহ অহরহ বার ঘটছে। পুলিশ প্রশাসন নিরব থেকে তামাশা দেখছে। কিন্তু কেন? এই প্রশ্ন অভিভাবক মহল, সচেতন মহল, ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষের। উপরোক্ত বিষয়ে সঠিক নিরপেক্ষতা বজায় রেখে তদন্ত পূর্বক ক্ষতিয়ে দেখার জন্য পুলিশের উদ্মোতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সেতাবগঞ্জ পৌর ও বোচাগঞ্জ উপজেলা এলাকাবাসী।

–(আগামীতে নাম প্রকাশ করা হবে)–

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ