শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:২৩ অপরাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

পাকুন্দিয়ায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিপণী বিতাণে ক্রেতাশূণ‍্য
এম এ হান্নান পাকুন্দিয়া প্রতিনিধি / ৪৭ বার
আপডেট : শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০

আর মাত্র একদিন বাকী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা, পাকুন্দিয়া উপজেলা বিপণী বিতাণগুলোতে ক্রেতাদের খুব একটা আনাগোনা নেই বলে চলে । অনেকটা ক্রেতাশূণ্য অবস্থা বিরাজ করছে দোকানগুলোতে। কিছু ক্রেতা এসে পোষাক বা প্রয়োজনীয় পণ্য কিনলেও তা চোখে পড়ার মতো নয়।

দুর্গা পূজা উপলক্ষ্যে দোকানিরা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের শার্ট, প্যান্ট, গেঞ্জি, পাঞ্জাবি, শাড়ি, থ্রিপিস, শিশুদের কাপড় সাজিয়ে রাখলেও ক্রেতা না থাকায় অলস সময় পার করছেন দোকানিরা। তবে করোনা অভিযোগে ব্যবসায়ীদের।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিন ঘুরে পুলেরঘাট উপশহরের গচিহাটা রোড় পুলেরঘাট সুপার মার্কেট, ইসলাম শপিং সহ বিভিন্ন মার্কেট ও পাকুন্দিয়া পৌরসভা ঈসাঁখা রোড়ে শপিং মার্কেটের দোকানগুলোতে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

প‍াকুন্দিয়া শাহজালাল শপিং কমপ্লেক্স এর মালিক মো:এংরাজ মিয়া সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, করোনা কারণে মানুষের আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় জামা-কাপড়সহ অন্যান্য জিনিসপত্র কেনার চাহিদা কমে গেছে। যার কারণে এবার ক্রেতার সংখ্যা কম। বর্তমানে বিক্রির অবস্থা ভালো না। আগের বছর এই সময়ে সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত চলতো বেচাকেনা। তবে আমরা আশাবাদি শেষ মুহূর্তে বিক্রি বাড়তে পারে।
শপিং মালিক সাদ্দাম বলেন, করোনায় মানুষের আয় কমে যাওয়ায় নিতান্তই প্রয়োজন ছাড়া কেউ জামাকাপড় কিনছে না। আগে আমরা পূজা আসার এক মাস আগে থেকে প্রস্তুতি নিতাম। বর্তমানে আমাদের প্রায় 80 ভাগ বিক্রি কমে গেছে। এখন আমাদের অবস্থা এমন হয়েছে, না পারছি ব্যবসা করতে, না পারছি ছাড়তে।
এই মার্কেট ব‍্যবসায়ী মোহাম্মদ সৈয়দ মিয়া বলেন আমরা দেশি-বিদেশি শাড়ি, কাপড়, শার্ট ও প্যান্টের পিস বিক্রি করে থাকি। পুজোর সময় আগে আমরা দম ফেলার সময় পেতাম না। কিন্তু এবারই প্রথম ক্রেতা কখন আসবে তাদের জন্য আমরা অপেক্ষা করি। কয়েকদিন ধরে গড়ে 5/10 হাজার টাকা বিক্রি হয়। আর আগের বছর এই সময়ে প্রতিদিন বিক্রি হতো প্রায় বিশ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা।
ভাড়া, কর্মচারীর বেতন, বিদ্যুৎ বিল দেয়াও দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এমন চলতে থাকলে এক সময় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে।

কয়েকজন বিক্রয়কর্মীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, করোনায় দীর্ঘ দুই মাস আমাদের শোরুম/দোকান বন্ধ থাকায় মালিকরা আমাদেরকে কোনো বেতন দেয় । অনেককে আবার ছাঁটাইও করে দেয়া হয়েছে। আগে এই সময়ে আমাদের সেলস কমিশন দিত। আর এখন বিক্রি না থাকায় আমাদের বেতনও কমে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ