বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৯:০৭ অপরাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

রাজশাহীতে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে প্রেমের ফাদে ধর্ষণের শিকার
রাজশাহী প্রতিনিধি : শিবলী সরকার (নবু) / ৫১ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০

রাজশাহীর কাটাখালি থানাধীন টাংগন এলাকায় স্কুল পড়ুয়া ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষিত নাবালিকা ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী বলে জানা গেছে। বাদী ও আসামীগণের বাড়ি একই এলাকায় পাশাপাশি। সেই কারনে (ভিকটিম) নাবালিকা কন্যা পানি আনতে গেলে। এমনকি স্কুলে যাওয়ার পথেও ৫ম শ্রেণির নাবালিকা কন্যাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। পরে সহিত জড়াতে রাজি হয়না, নাবালিকা কন্যা মোসাঃ মিতু। কিন্তু নাছোর বান্দা মোঃ তারেক তার, সার্থ হাসিল করার উদ্দেশ্যে নাবালিকা কন্যার পিছনে লেগেই থাকে।আর প্রতি নিহত প্রেমের চিটি প্রদান করতে থাকে। একসময়ে কুচরিত্রহীন ধর্ষক, নাবালিকা কন্যাকে মিথ্যা বিয়ের পলোভন দেখিয়ে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরদিন থেকে শুরু হয় নাবালিকা কন্যার সাথে, তারেকের শারীরিক মিলামেশা। এভাবে গড়ে উঠে তাদের মধ্যে দৈনিক শারীরিক সম্পর্ক।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে রাজশাহীর কাটাখালি থানাধীন সংলগ্ন টাংগন ডারপাড়া এলাকার রাজমিস্ত্রী রেজাউল ইসলামের ছেলে (২৬) মোঃ তারকে ইসলাম। সে একজন পেশায় ডাইভার, একই সাথে, তাদের বসতবাড়ী। ধর্ষিতা নাবালিকার (১৪) মোসাঃ মিতু, পিতা মোহর আলি। তিনি বেশ কয়েকটি মাস যাবৎ মাদক মামলায় জেল হাজতে আছেন। এমন অবস্থায় পিতা মোহর আলি, নিজের বসতবাড়িতে না থাকায়। আসামী তারেক, ঘরের ভিতরে ডেকে স্কুল ছাত্রীকে ঝাপটে ধরে। জোরপূর্বক শরীরের স্পর্শকাতর গোপন জায়গায় হাত দেয়। মিতুর, বাবা, দীর্ঘদিন যাবত জেলে থাকায়, পরিবারে দিন কাটে অভাব-অনটনে। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীর সাথে, বিভিন্ন কৌশলে এক অভিনব কায়দায় জোরপূর্বকভাবে প্রায় ০৫ মাস যাবৎ শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে আসছিলেন ধর্ষক তারেক ডাইভার। হটাৎ করে স্কুল ছাত্রী মিতু, বিয়ের কথা, বলেলে রাজি হয়নি। এসময় হুমকি দিয়ে আরও বলে তারেক ইসলাম, তোর মা-বাবাকে সম্পর্কের বিষয়ে কিছু জানালে জানে শেষ করে ফেলব। এবিষয়ে জানাজানি হলে মেয়ে ও ছেলের পরিবারদের আত্মীয় স্বজনেরা পারিবারিকভাবে আপোষ মিমাংসায় বসেন। কিন্তু তাতেও রাজি হননি তারেক ও পিতা রাজমিস্ত্রী রেজাউল ইসলাম।

একপর্যায়ে নিরুপায় হয়ে বিচারের আসায় ধর্ষিত নাবালিকা কন্যা মোসাঃ মিতু প্রধান সাক্ষী হয়ে, মাতা বাদী হয়ে গতই ২৫/০৮/২০২০ ইং তারিখে রাজশাহী কোর্টে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১নং প্রধান আসামী হিসেবে মোঃ তারেক ও পিতা ২নং রেজাউল ইসলাম, এবং ৩নং তানিয়া বেগমের বিরুদ্ধে কোর্টে, মামলা দায়ের করেন এবং অন্যান্য আসামীগণের সহায়তায় বাদীর, নাবালিকা কন্যাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করিয়া ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী /২০০৩ এর ৯(১)/৩০ ধারায় অপরাধের উপরোক্ত কারণ ও অবস্থাধীনে অত্র মামলা আমলে গ্রহণ পূর্বক আসামীগণের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরওয়ানার আদেশ দানে সুবিচার করিতে মর্জি হন। আসামীগণদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী জারী ২০২০ ইং।

আসুন জানা যাক একজন ধর্ষিত নারী কিভাবে আইনি সহয়তা পেতে পারেন। দেশের মানুষের চোখে, ধর্ষিত নারীদের কাছে এক আতংকের নাম ছড়িয়ে পড়ছে। দেখা যায় ফেসবুক ও পত্রিকার পাতা খুললেই মেলে, ধর্ষণের খবর। বর্তমান দেশে অহরহ ঘটছে ধর্ষণের ঘটনা। শুধু ধর্ষণেই শেষ নয়, নৃশংসভাবে হত্যাও করা হচ্ছে। সচেতনতা বাড়াতে চলছে বিভিন্ন সামজিক আন্দোলন ও সচেতনতামূলক সেমিনারে করা হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদী মামলাও।

কিন্তু কিছুতেই টেনে ধরা যাচ্ছে না ধর্ষণের লাগাম।

ধর্ষণের পরে নবজাতক শিশু নারী’রা বেশিভাগ মানসিকভাবে চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছেন। দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রেই। তারা আত্নহত্যার পথও বেঁছে নিচ্ছে। এছাড়াও বন্ধুবান্ধব থেকে পরিবারের, আত্মীয়-স্বজনদের কাছ, থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হচ্ছে। কিন্তু একজন নবজাতক শিশু, যখন। ধর্ষণের শিকার তখন শিশুটির মানসিক বিপর্যয় ঠেকাতে স্বজনদের যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। তাই এ সম্পর্কে সচেতন থাকা খুবি জরুরি। ধর্ষণের পরে নারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কার্যক্রম রয়েছে। সেগুলো আমরা অনেকেই জানি না। এজন্য ধর্ষণের পর অনেকে নারী”রায় সঠিক বিচার ও চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়। কোথায় গেলে আমরা সঠিক বিচার পাবো। আজ অনেকটা বুঝিনা বলেই সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হয়। সেই হতভাগা-কান্না। প্রশ্ন বিধি : ধর্ষণের পরে একজন নারীর কি করনীয় প্রয়োজনে। দৈনিক আলোর সময় গণমানুষের নতুন যাত্রা নিউজ প্রতিবেদক, বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছেন। ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের (ডিসি)।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ