বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে তানভীরের সংগ্রহে ৫০০ প্রজাতির বিদেশি ফুল গাছ
এ.বি.খান বাবু বার্তা প্রধান / ৭২ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার সুলতানপুর গ্রামে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন বয়সী মানুষ আসেন তানভীর আহমেদের নার্সারির খোঁজে। তার নার্সারিতে আছে পাঁচ শ প্রজাতির বিদেশি ফুল। দেশি ফল ও ফুল মিলিয়ে ৭১৩ প্রজাতির গাছ আছে তার সংগ্রহে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে গড়ে তোলেন নার্সারি। তানভীরের মূল আগ্রহ বিদেশি প্রজাতির গাছ সংগ্রহে। তার নার্সারিতে ৫৭৩ প্রজাতির ফুল গাছের মধ্যে পাঁচ শটি বিদেশি এবং ১৪০ প্রজাতির ফল গাছের মধ্যে বেশিরভাগই বিদেশি প্রজাতির।

নার্সারিতে গিয়ে দেখা যায়, তানভীরসহ আরও কয়েক জন গাছের পরিচর্যা করছেন। তানভীর আহমেদ বলেন, ‘আমার মা বাগান ভালোবাসতেন। তার কাছ থেকে মূলত অনুপ্রাণিত হই। ১৯৯৬ সালে মা মারা যান। ২০০৯ সালে বাবাও চলে যান। ২০১৪ সালে আমি বাড়ির আঙ্গিনায় ছোট পরিসরে একটি বাগান করি। ২০১৮ সালে বাণিজ্যিকভাবে নার্সারি করার সিদ্ধান্ত নিই। ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রতিবেশীর কাছ থেকে পাঁচ বছরের জন্য ২৪ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে বাগানটি করি। এরপর যুক্তরাষ্ট্র, চীন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া ও ভারতসহ বিশ্বের ২৫টি দেশ এবং আমাদের দেশীয় ৭১৩ প্রজাতির ফুল ও ফল গাছ সংগ্রহ করি।’

তানভীর বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ আমার নার্সারির গাছ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। রাজশাহী সিটি করপোরেশন, গাজীপুরের বিভিন্ন রিসোর্টের মালিক এখান থেকে গাছ কেনেন। রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে নিয়মিত ক্রেতা আসে। বর্তমানে আমার বাগানে ৩০ লাখ টাকা মূল্যের গাছ আছে। তবে, এবারের বন্যায় দেড় শতাধিক প্রজাতির জবা গাছ মারা গেছে।’

হরিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল গফফার
জানান, তানভীর আহমেদের করা বাগানটি আলাদা। দেশি-বিদেশি বিরল প্রজাতির ফুল ও ফলের গাছ রয়েছে তার সংগ্রহে। এসব ফুল ও ফল গাছের বেশ চাহিদা রয়েছে। শিক্ষাজীবন শেষ করে গতানুগতিক চাকরি না খুঁজে তার মতো উদ্যোগ নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ