রবিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলা ভূমি তাড়াইলের কাইক্না বিল
ছাদেকুর রহমান রতন, তাড়াইল(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি : / ১২২ বার
আপডেট : রবিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২০

এই সুন্দর ফুল, সুন্দর ফল মিঠা নদীর পানি খোদা তোমার মেহের বান। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর এই সানের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার কাইক্না বিলে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অনেক কিছুই বাংলাদেশ থেকে আজ প্রায় হারাতে চলেছে। সেগুলোর মধ্যে একটি হলো পদ্মফুল৷ কিশোরগঞ্জ জেলা তাড়াইল উপজেলার দড়িজাহাঙ্গীরপুর গ্রামের (কাইক্না) বিলে এক দৃষ্টিনন্দন পদ্মবিলের সুন্দর দৃশ্য প্রতীয়মান দীর্ঘদিন ধরে। এতেদিন এই দৃশ্য কারো নজর না কাড়লেও কিছু ফেইসবুকারের ভাইরাল করা কাইক্না বিলের ছবিতে সবার দৃষ্টি পড়ে।
এখানে প্রতি বছর বর্ষা কালে কাইক্না বিলে দেখা যায় পদ্ম ফুলের বিশাল সমাহার৷ সারা বিল জুড়ে ফুটন্ত পদ্মফুল গুলো যেন সৌন্দর্যের পূর্ণতা নিয়ে হাতছানি দিয়ে ডাকছে৷ বিকাল বেলায় পদ্ম ফুলের দৃশ্য যেন এক মনমুগ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি করে চারপাশ৷ হাজার হাজার পদ্মফুল ঝলমল করে উঠে সারা বিল জুড়ে৷ দূর থেকে দেখে মনে হয় সাজানো-গোছানো এক ফুলের বাগান৷
কাইক্না বিলের পদ্মফুল এবং পদ্মপাতা গুলো যেন মানুষের মন জুড়ে প্রভাব বিস্তার করে৷ বিলের দৃশ্যটা যেন সত্যিই মানুষের মনে দাগ কাটে৷ কাছে গিয়ে পদ্মফুল গুলো স্পর্শ করলে মনে হয় যেন সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে প্রবেশ করলাম৷ আশেপাশের পরিবেশটাকে সৌন্দর্য করে তোলায় এখানে পর্যটকের আগমন ঘটেছে।
সাদা লাল রঙের পদ্ম ফুলের মাঝে সবুজ রঙের পদ্ম পাতা গুলো যেন পরিবেশটাকে শীতল করে তুলে৷ নৌকা দিয়ে কাইক্না বিলের মাঝখানে যখন প্রবেশ করা হয় তখন মনে হয় যেন কোন এক অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে অবস্থান করছি৷
স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখানে প্রতি বছর বর্ষাকালে হাজার হাজার পদ্মফুল ফোটে৷ সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অনেক লোকের জনসমাগম হয় এই কাইক্না বিলে পদ্মফুল দেখার জন্য৷ নৌকা দিয়ে পদ্মফুল ঘুরে দেখার তেমন ব্যাবস্থা না থাকলেও সেখানে লোক ধরে ডিঙি নৌকার ব্যবস্থা করা যায়। কিশোরগঞ্জ থেকে সিএনজি বা অটো দিয়ে সরাসরি দড়িজাহাঙ্গীরপুর কাইক্না বিলে আসা যাবে৷ তাড়াইল উপজেলা থেকেও অটো ও সিএনজি দিয়ে আসা যায়।

দড়িজাহাঙ্গীরপুর গ্রামের শহীদ খান জানান, কাইক্না বিলে যদি পর্যটকদের জন্য সুব্যবস্থা করা যায় তবে এই জায়গাতে দেশি-বিদেশি আরও পর্যটকদের আগমন ঘটতো। অনেক লোকের কর্মসংস্থানও হতো।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ