বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:০২ অপরাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
স্টাফ রিপোর্টার খোরশেদ আলম / ৫৯ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোট রাজশাহী জেলা শাখার আয়োজনে মানববন্ধন ও রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন নির্ধারনের জন্য চাকুরীকাল গণনা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাদির প্রাপ্যতায় ১২ আগস্ট অর্থমন্ত্রণালয় কর্তৃক জারীকৃত পত্রটি প্রত্যাহারের দাবীতে কোর্ট শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধন করেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষকগণ। পরে তারা স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধন থেকে নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০১৩ সালে ৯ জানুয়ারী ২৬,১৯৩ টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কর্মরত শিক্ষকদের জাতীয়করণ করা হয়। এরপর ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধান শিক্ষকদের দুইধাপ বেতন বৃদ্ধিসহ দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের একধাপ বেতন বৃদ্ধির ঘোষনা প্রদান করা হয়। তারা আরো বলেন, অধিগ্রহনকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকুরী শর্তাবলী নির্দ্ধারণ) বিধিমালা এস.আর ও নং ৩১৫ আইন ২০১৩ এর বিধি ২ উপবিধি গ, বিধি ৯ উপবিধি (১) (২) (৩) অনুযায়ী টাইম স্কেল প্রাপ্য হবে।

কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গত ০৮-১০-২০১৭ তারিখের পত্রের মাধ্যমেস জরুরী ভিত্তিতে বিভাগ ওয়ারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের ডেকে এনে কার্যকর চাকুরীকালের ভিত্তিতে হিসাব না ধরে বিধি ৯ উপবিধি ১ এর ভূল ব্যাখ্যা দিয়ে কার্যকর চাকুরীকালের তারিখের পরিবর্তে ১ জানুয়ারী ২০১৩ সালের জাতীয়করণের তারিখ ধরে জেষ্ঠ্যতা তালিকা করার মৌখিক নির্দেশনা দিয়ে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে চলতি দায়িত্ব প্রদান থেকে বিরত করা হচ্ছে।
তারা আরো বলেন, এই সকল শিক্ষকদের জন্য যতগুলো আইন ও পরিপত্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারী করা হয়েছে তার কোনটাতেই জাতীয়করণের তারিখ অর্থাৎ ১ জানুয়ারী ২০১৩ সাল থেকে চাকুরীকাল গণনা করার কথা বলা হয়নি।

কিন্তু পারিতাপের বিষয় দীর্ঘ ৭ বছর পর বিধি ৯ উপবিধি ১ এর ভূল ব্যাখা দিয়ে একই ভাবে জাতীয়করণের পূর্বের চাকরীকাল গণনা না করে হিসাব রক্ষন অফিসগুলো জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের উত্তোলনকৃত টাইমস্কেল ফেরৎ প্রদানেরর জন্য অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় চলতি মাসের ১২ তারিখ অর্থমন্ত্রণালয় কর্তৃক ৭ বছর পর টাইমস্কেল কর্তনের পত্র জারী করেন। এরফলে ৪৮,২৭০ জন টাইমস্কেল উত্তোলনকারী শিক্ষক চরম ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেই মারা গেছে আবার অনেকেই অবসরে গেছেন। অর্থমন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত পত্রটি প্রত্যাহারের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোট রাজশাহী জেলা শাখার আহবায়ক লিয়াকত কাদির কুমকুমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অত্র মহাজোটের গোদাগাড়ী শাখার সভাপতি সাবিয়ার রহমান, মোহনপুরের সভাপতি জহির রায়হান, বোয়ালিয়ার সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বকুল, তানোরের সভাপতি আতাউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, পুঠিয়ার সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দীন, বাঘার সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন, দূর্গাপুরের সভাপতি দলিল উদ্দীন, পবার তৌফিক ও রাজ্জাকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ