মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

তানোরে অসহায় মায়ের কান্না খাস জায়গায় বসবাস রহস্য ভাবে কোটি টাকার মামলা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ
সোহেল রানা রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি / ৪৬ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

একটি অমানবিক ঘটনা বাবা চালায় ভ্যান মা করে হোটেলে কাজ একখানা বাড়ি তাও আবার সরকারী খাস জয়গায় লেখাপড়া তেমন করেনি এক মাএ ছেলে আব্দুল রশিদ বয়স-২০ পেশা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (হাসপাতালে) মালিকের মাইক্রো ভাড়ায় রুগি আনা নেয়া করেন মুজুরি হিসাবে দিনে ১০০ শত আবার কখনো ২০০ শ তাই দিয়ে নিজের পরিবারের হাল ধরেছিলেন কনোরকম ভাবে কেটে যাচ্ছিলো তাদের টানা পড়ার সংসার।

‌চলার মাঝেই হটাৎ এক কাল বয়শাখী ঝর এলো রশিদের মা বাবা কে নিয়ে থাকা সংসারে,,,

‌রশিদ এখন ১০৫০০০০০ এক কটি পাঁচ লক্ষ টাকার মামলার আসামি —-

ঘটনা টি ঘটে ০৯ জুলাই ২০২০ ইং সময় ১১.৪৫ কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন মেসার্স রহমান এন্ড কোং ফিলিং স্টেশন এর উত্তর পূর্ব কোনে

প্রাথমিক তথ্য বিবরণী মোঃ আব্দুর রশিদ পিতা মোহাম্মদ আকবর আলি স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রামঃ ধানোরা সরদারপাড়া উপজেলা থানা তানোর জেলা রাজশাহী ৩৬(১)এর ৮(গ) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮
অবৈধ মাদকদ্রব্য হিরোইন বিক্রেতার উদ্দেশ্যে হেফাজতে রাখার অপরাধ হিরোইনের পরিমাণ ১ কেজি ৫০ গ্রাম যাহার মূল্য আনুমানিক এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা জব্দ তালিকা দেখানো হয়েছে একটি চাবি সহ সিলভার রংয়ের মাইক্রোবাস।

আব্দুল রশিদের মা বাবা যতখনে জানতে পায় ততক্ষণে তার ছেলে রাজশাহী জেল খানাতে মায়ের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো মা বাবার কান্নায় কেঁপে উঠলো রাজশাহী কোট ও জেলখানা,,,,

আসামী আব্দুল রশিদের মা মোসাঃ রশিদা বেগমের কান্নায় ভিতরে বুকফাটা চিৎকার করে বলছেন আমার ছেলে নির্দোষ আমার ছেলে যদি এগুলোর মধ্যে জড়িত থাকত তাহলে আমি হোটেলে কাজ করতাম না আমার স্বামী ভ্যান চালাতো না আর সরকারি জায়গাতে আমি বসবাস করতাম না আমার ছেলেকে আমি মানুষের বাড়ি থেকে কাজ করে খাবার নিয়ে এসে খাইয়ে বড় করেছি আমরা কাজ করে আমার ছেলেকে ড্রাইভিং শিখেছি ছেলে আমাদের একমাত্র অবলম্বন আমার ছেলে জীবনে একটা বিড়ি পর্যন্ত খাইনি আমার ছেলের সাথে আমি জেলখানাতে ফোনে কথা বলেছি সে বলেছে মা আমি রুগি আনতে গিয়েছিলাম ৩টি লোক আমার গাড়িতে ছিল হঠাৎ করে তারা বলে গাড়ি সাইট করো সাইট করার সঙ্গে সঙ্গে তারা পালিয়ে যায় ঠিক তখনই Rab এসে আমাকে ধরে আমি এর বেশি কিছু জানিনা।

সরজমিনে আব্দুল রশিদের বাসায় গিয়ে দেখা যায়
ছোট্ট একটা টিনের বাড়ি ওই এলাকায় ও প্রতিবেশীর কাছে জানতে চাই তারা বলেন রশিদ কনোদিন মাদক ব্যবসা করতে পারে না কারণ তার মা মানুষের বাড়িতে এখনো কাজ করে তারা ভূমিহীন তাদের কোন নিজের জায়গা নাই সরকারি খাস জায়গায় তারা বসবাস করেন আর ওই ছেলে তাদের একমাত্র অবলম্বন ছিল

এটা নিশ্চয়ই বড় ধরনের একটা ভুল হয়েছে বা ভুল তদন্ত করা হয়েছে পুনরায় তদন্ত করা হলে আসল ঘটনা এবং আসল মাদক ব্যবসায়ী বেরিয়ে যাবে।
রাজশাহী তানোর উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ধানোটা গ্রামের এলাকাবাসী সকলে দাবি জানিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আইন প্রয়োগকারী গোয়েন্দা সংস্থা সঠিকভাবে তদন্ত করলে আসল ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

অন্যদিকে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে রশিদের মা রশিদা বেগম এই মামলার পুনরায় তদন্ত করার আবেদন করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ