শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

পাকুন্দিয়ায় অযুগক্তি ভাবে বেড়েছে মিষ্টির দাম
এম এ হান্নান পাকুন্দিয়া কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি / ২০ বার
আপডেট : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর বাজারে মিষ্টির বিক্রেতারা হঠাৎ বাড়িয়ে দিয়েছেন দাম। প্রতি কেজিতে মিষ্টির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ৫০/১০০ টাকা করে। দই-মিষ্টির বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে দুধের দাম বেশি বলে দাম বাড়ানো হয়েছে। অথচ খোলা বাজারে এখনো দুধ বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই ৫০ থেকে ৭০ টাকা লিটার। আর চিনির দামও রয়েছে আগের মতোই। দুধের দাম বাড়ানোর কথা বলে ক্রেতাদের ঠকিয়ে অধিক মুনাফার চেষ্টা করছে পুলেরঘাট, মির্জাপুরের অসাধু দই-মিষ্টির বিক্রেতারা। এ নিয়ে পাকুন্দিয়ায় চলছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই পাকুন্দিয়ায় কোনো কারণ ছাড়াই বেড়েছে মিষ্টির দাম

যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর বাজারে মিষ্টির বিক্রেতারা হঠাৎ বাড়িয়ে দিয়েছেন দাম। প্রতি কেজিতে মিষ্টির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ৫০/১০০ টাকা করে। দই-মিষ্টির বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে দুধের দাম বেশি বলে দাম বাড়ানো হয়েছে। অথচ খোলা বাজারে এখনো দুধ বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই ৫০ থেকে ৭০ টাকা লিটার। আর চিনির দামও রয়েছে আগের মতোই। দুধের দাম বাড়ানোর কথা বলে ক্রেতাদের ঠকিয়ে অধিক মুনাফার চেষ্টা করছে মির্জাপুরের অসাধু দই-মিষ্টির বিক্রেতারা। এ নিয়ে পাকুন্দিয়ায় চলছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই চেয়েছেন প্রশাসনের সহযোগিতা। কিন্তু অদ্যাবধি প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

মির্জাপুর বাজারের বিভিন্ন দই ও মিষ্টি বিক্রির দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঈদের সময় দুধ পাওয়া যাচ্ছে না এমন ওজুহাত দেখিয়ে হঠাৎ তারা দুধ দিয়ে তৈরি সব ধরনের খাদ্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। আর এখন তারা সেটি স্থায়ী করেত চাইছে। দাম বাড়ানোর ফলে ক্রেতা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ দাম নিয়ন্ত্রণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন থেকে। মাঝে-মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হলেও ঈদের পর এ কার্যক্রম চোখে পড়েনি। দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ করে অনেক ক্রেতা হেনস্থার শিকার হয়েছেন। মির্জাপুর বাজারে কার্তিক সুইটমিট নামের দই-মিষ্টির দোকানে রবিবার সাধারণ মিষ্টি বিক্রি হয়েছে ২৪০ টাকা কেজি। এ মিষ্টি ঈদের আগে বিক্রি হতো ১৬০ টাকায়। কার্তিকের পাশাপাশি গনেশের মিস্টির দোকানে সাদা মিষ্টি ১৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫০টাকা কেজি বিক্রি করছে। মির্জাপুর বাজারে পাঁচটি মিষ্টির দোকানে ঈদের আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ১২০ কেজি বিক্রি হত ঈদের দুইদিন আগে থেকে এখন প্রতিদিন গড়ে ৫৫০ কেজি মিষ্টি বিক্রি হচ্ছে। মিষ্টি ক্রেতা আলমগীর জানান, ঈদের কয়েক দিন আগে দাম ছিল ১৬০ কেজি। ঈদের আগেরদিন থেকে মিষ্টির দাম বাড়ানো হয়েছে। ঈদের আগে ও পরে দুধের লিটার ছিল ৬০ টাকা। এই দুধের দাম এখন ৬০ টাকা লিটার। কোনো কোনো স্থানে ৫০ টাকা লিটার বিক্রি হচ্ছে। দুধের দাম কমলেও তা থেকে তৈরি খাদ্যপণ্যের দাম কমছে না। আরেক ক্রেতা হৃদয় জানান, ঈদের আগের চেয়ে বর্তমানে মিষ্টি কেজিপ্রতি গড়ে ৮০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করছে। দই-মিষ্টির বিক্রেতারা যে অজুহাত দেখাচ্ছেন তা সঠিক নয়। দুধ ও চিনি আগের দামে বিক্রি হচ্ছে। তারপরও মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে ক্রেতাদের ঠকানো হচ্ছে। প্রসাশনকে এ বিষয়ে ভূমিকা নিতে হবে। মিষ্টি বিক্রতারা জানান, বাজারে দুধের দাম লিটার প্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে। এ কারণে দুধ থেকে তৈরি খাবারের দাম বেড়েছে। প্রশাসনের সহযোগিতা। কিন্তু অদ্যাবধি প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

মির্জাপুর বাজারের বিভিন্ন দই ও মিষ্টি বিক্রির দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঈদের সময় দুধ পাওয়া যাচ্ছে না এমন ওজুহাত দেখিয়ে হঠাৎ তারা দুধ দিয়ে তৈরি সব ধরনের খাদ্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। আর এখন তারা সেটি স্থায়ী করেত চাইছে। দাম বাড়ানোর ফলে ক্রেতা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ দাম নিয়ন্ত্রণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন থেকে। মাঝে-মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হলেও ঈদের পর এ কার্যক্রম চোখে পড়েনি। দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ করে অনেক ক্রেতা হেনস্থার শিকার হয়েছেন। মির্জাপুর বাজারে কার্তিক সুইটমিট নামের দই-মিষ্টির দোকানে রবিবার সাধারণ মিষ্টি বিক্রি হয়েছে ২৪০ টাকা কেজি। এ মিষ্টি ঈদের আগে বিক্রি হতো ১৬০ টাকায়। কার্তিকের পাশাপাশি গনেশের মিস্টির দোকানে সাদা মিষ্টি ১৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫০টাকা কেজি বিক্রি করছে। মির্জাপুর বাজারে পাঁচটি মিষ্টির দোকানে ঈদের আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ১২০ কেজি বিক্রি হত ঈদের দুইদিন আগে থেকে এখন প্রতিদিন গড়ে ৫৫০ কেজি মিষ্টি বিক্রি হচ্ছে। মিষ্টি ক্রেতা আলমগীর জানান, ঈদের কয়েক দিন আগে দাম ছিল ১৬০ কেজি। ঈদের আগেরদিন থেকে মিষ্টির দাম বাড়ানো হয়েছে। ঈদের আগে ও পরে দুধের লিটার ছিল ৬০ টাকা। এই দুধের দাম এখন ৬০ টাকা লিটার। কোনো কোনো স্থানে ৫০ টাকা লিটার বিক্রি হচ্ছে। দুধের দাম কমলেও তা থেকে তৈরি খাদ্যপণ্যের দাম কমছে না। আরেক ক্রেতা হৃদয় জানান, ঈদের আগের চেয়ে বর্তমানে মিষ্টি কেজিপ্রতি গড়ে ৮০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করছে। দই-মিষ্টির বিক্রেতারা যে অজুহাত দেখাচ্ছেন তা সঠিক নয়। দুধ ও চিনি আগের দামে বিক্রি হচ্ছে। তারপরও মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে ক্রেতাদের ঠকানো হচ্ছে। প্রসাশনকে এ বিষয়ে ভূমিকা নিতে হবে। মিষ্টি বিক্রতারা জানান, বাজারে দুধের দাম লিটার প্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে। এ কারণে দুধ থেকে তৈরি খাবারের দাম বেড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ