রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ১০:১১ অপরাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

তানোরে বঙ্গমাতার জন্মদিন উপলক্ষে পৃথক পৃথক আয়োজনে এমপি ফারুক চৌধুরী
সোহেল রানা রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি / ৭২ বার
আপডেট : রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০

বঙ্গমাতা ত্যাগ ও সাহসী সুন্দরের প্রতিক”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহী তানোর উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার মমতাময়ী মা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০ তম জন্মদিন উপলক্ষে তানোর উপজেলার অসহায় নারীদের কে সেলাই মেশিন উপহার দেওয়া হয়েছে।

৮ জুলাই উপজেলা পরিষদের হলরুমে বঙ্গমাতার জন্মদিন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাজশাহী-১সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী সহ তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বঙ্গমাতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং তার স্মৃতিচারণ করেন।

১৯৩০ সালের ৮ জুলাই গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তার জন্ম। শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের বাবার নাম শেখ জহুরুল হক ও মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম। মহান এই ত্যাগি বঙ্গমাতার জন্য র‌ইলো অফুরন্ত ভালবাসা।

তানোর উপজেলায় পৃথক পৃথকভাবে তিনটি আয়োজন করা হয় আয়োজন জুড়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী।

উপজেলা চেয়ারম্যান এর নিজ বাসভবনে তানোর উপজেলা আওয়ামীলীগের এক আয়োজনে
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তানোর উপজেলা শাখার যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদের মৃত্যুতে দাড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করেন।

পরে তানোর উপজেলার চান্দুড়িয়া ইউপি আওয়ামী লীগের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে আলহাজ ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি বঙ্গমাতা কে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর সাথে বঙ্গমাতার জীবন বৃত্তান্ত নিয়ে কিছু বলেন:
আজ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিন। তিনি ১৯৩০ সালের এই দিনে জন্মেছিলেন। বেঁচে থাকলে আজ তার বয়স হতো ৯০

ওনার সহধর্মিনী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব,

তাদের পরিবার সম্পর্কে কী জানে মানুষ? কতটা জানে?

জেনে রাখ- বঙ্গবন্ধু হলেন এই দেশের প্রতিষ্ঠাতা। রুচি ও সংস্কৃতির দিক থেকেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত মার্জিত ও উচ্চমানের। ওনার সহধর্মিনীও ছিলেন তাই।

বঙ্গবন্ধু তো রাজনীতি নিয়ে দেশে-বিদেশে, দেশের আনাচে কানাচে ছুটে বেড়িয়েছেন। বেশির ভাগ সময় জেলে কাটিয়েছেন। পারিবারিক ঝড় ঝক্কি বঙ্গমাতাই সামাল দিয়েছেন। বঙ্গমাতা পেছন থেকে প্রেরণা দিয়েছেন বলেই বঙ্গবন্ধু তার লক্ষ্যে পৌঁছতে পেরেছেন। বঙ্গবন্ধুর পরিবার সম্পর্কে কেউ কেউ না জেনে, আবার কেউ রাজনৈতিক কারণে নানা কথা বলে। ওরা শিক্ষার কথা বলে! জেনে রাখ, বঙ্গবন্ধু দুই মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী দুই জন মেধাবী ছেলের সঙ্গে। শেখ হাসিনার স্বামী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া এবং শেখ রেহানার স্বামী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শফিক আহমেদ সিদ্দিক।
বঙ্গবন্ধু যেমন মহামানব ছিলেন, তার সহধর্মিনী বঙ্গমাতাও তাই।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ