শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ১১:২৬ অপরাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

শেষ মুহুর্তে নগরীর পশুর হাটগুলোতে দাম দ্বিগুণ।
মোঃবিল্লাল হোসেন, চট্টগ্রাম / ৫৮ বার
আপডেট : শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০

বৃহস্পতিবার ৩০/০৭/২০২০ রাতে পতেঙ্গার কমল মহাজন হাট, টিকে গ্রুপের পশুর হাটে এমন চিত্র দেখা গেছে। দেখা গেছে, সাধ্যের মধ্যে পশু কিনতে ক্রেতারা ছুটে বেড়াচ্ছেন এক হাট থেকে অন্য হাটে। হাটে হাতেগোনা ২০ টি গরু থাকলেও ক্রেতা রয়েছেন দুই হাজার। ফলে নিজেদের সামর্থের মধ্যে পশু কিনতে বিপাকে পড়তে হয়েছে ক্রেতাদের। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেপারীরাও দাম চাইছে দ্বিগুণ। ক্রেতাদের কেউ কেউ বাধ্য হয়েই এমন দামে কিনছেন গরু। কিন্তু গরু কিনতে না পারা ক্রেতার সংখ্যাই অনেক বেশি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বুধবারের মধ্যেই এসব হাটে অধিকাংশ পশু বিক্রি হয়ে যায়। আবার কিছু কিছু বেপারী বেশি দামে বিক্রির আশায় অনেক গরু রেখে দিয়েছে। আর দামও হাঁকাচ্ছেন গরু অনুযায়ী দ্বিগুণ। এর প্রভাব পড়েছে এখনও গরু কিনতে না পারায় পতেঙ্গা এলাকার বড় একটি অংশের উপর। হাটের স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্বে থাকা ওমর শরিফ নাইম জানিয়েছে, ‘হাটে গরু নেই। একেকটা গরুর পেছনে পনের থেকে ২০ জন ক্রেতা আছে। এ কারণেই বিক্রেতারা গরু ছাড়ছেন না। এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার ব্যবসায়ী বেপারী আবির সিভয়েসকে বলেন, ‘বিক্রি হওয়া গরুগুলোতে খুব বেশি লাভ হয়নি। শেষ মুহূর্তে দাম বাড়বে ধারণা করেই কয়েকটি গরু রেখে দিয়েছি। এখন হাটে আর তেমন গরু না থাকায় দামও বেড়েছে। মানুষে হাট ভর্তি হয়ে গেছে। এখনও হাটে প্রায় কয়েক হাজার গরুর চাহিদা আছে। কিন্তু ১শ – ২শ গরুও হাটে নেই। টিকে গ্রুপের গরুর হাটের তথ্যাবধায়ক ৪১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পুত্র ওয়াহিদ চৌধুরী সিভয়েসকে বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের হাটে প্রায় ৩ হাজার গরু ছাগল এসেছিল । দুই হাজার ৮শ’র মতো বিক্রি হয়েছে। এখনও বহু মানুষ গরু কিনতে পারেননি। কিন্তু হাটে গরুর সংখ্যা একেবারেই হাতেগোনা। সুযোগ বুঝে ব্যবসায়ীরাও শেষ কয়েকটি গরুর দাম চাচ্ছেন দ্বিগুণেরও বেশি। ক্রেতাদের কেউ কেউ বাধ্য হয়েই এমন দামে কিনছেন গরু। কিন্তু গরু কিনতে না পারা ক্রেতার সংখ্যাই অনেক বেশি।আগামীকালের জন্য পার্শ্ববর্তী আনোয়ারা থেকে কিছু গরু আনার উদ্যোগ নিয়েছি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ