সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

মানিকগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, বিশুদ্ধ পানির অভাব
এ.বি.খান বাবু বার্তা প্রধান / ১৪৮ বার
আপডেট : সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

মানিকগঞ্জের আরিচা পয়েন্টের যমুনা নদীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ।

যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে মানিকগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

জেলার অন্যান্য নদ-নদীগুলোর মধ্যে পদ্মা, কালিগঙ্গা, ধলেশ্বরী, ইচ্ছামতি নদীও এখন পানিতে টুই-টুম্বুর। বন্যার পানিতে প্রতিনিয়তই প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এসব এলাকার বহু রাস্তাঘাট।

জেলার সদর দিঘি ইউনিয়ন ও সিংগাইর উপজেলা কিছু অংশসহ সাত উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ এখন পানিবন্দি অবস্থায় জিবন যাপন করছেন। বন্যার পানি ও ভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার দৌলতপুর, শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলা।

হরিরামপুর উপজেলা পরিষদ চত্বর, মানিকগঞ্জ জেলখানা এবং ঢাকা আরিচা মহাসড়কের উথুলী সংযোগ সড়কে প্রবেশ করেছে বন্যার পানি। এছাড়াও মানিকগঞ্জ সদর, ঘিওর এবং সাটুরিয়া উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা বন্যার পানিতে ভরপুর।

এরই মধ্যে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে জেলার অধিকাংশ কৃষকের ফসলি জমি। ঘরবাড়ি এবং কৃষি জমি তলিয়ে যাওয়ায় গৃহপালিত পশু নিয়ে বিপাকে রয়েছে তারা। খাদ্য সংকটের পাশাপাশি বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব রয়েছে বন্যা কবলিত এলাকায়।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ করা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল। এখনো ত্রাণ থেকে বঞ্চিত রয়েছে অধিকাংশ মানুষ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে রয়েছে চরাঞ্চলের বাসিন্দারা।

মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক এস.এম ফেরদৌস বলেন, জেলার ২৩৪ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় করে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

শিশু খাদ্য ও গো-খাদ্যের জন্য নগদ অর্থ বরাদ্দ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ