বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

কালীগঞ্জ পৌর যুবলীগের সভাপতির ওপর হামলা
বিল্লাল হোসেন, নিজেস্ব প্রতিবেদক / ৯০ বার
আপডেট : বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০

অটোরিকশা চালককে ভাড়া দেয়ার জন্য প্রতিবাদ করায় কালীগঞ্জ পৌর যুবলীগের সভাপতি মো. বাদল হোসেনের ওপর হামলা চালিয়েছে মাদকাসক্ত মেহেদী ও তার পরিবারের লোকজন। সোমবার সকাল দশটার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভা সংলগ্ন শহীদ ময়েজউদ্দিন সড়কের রাজধানী টু হোটেলের সামনে হামলার ঘটনাটি ঘটেছে।

বিকেলে মাদকাসক্ত মেহেদীকে গ্রেফতারের দাবিতে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর এলাকাবাসী এক স্মারকলিপি প্রদান করেন। সোমবার বিকেলের দিকে এলাকাবাসীর ব্যানারে হামলাকারী মেহেদী ও তার পরিবারের লোকজনদের গ্রেফতারের দাবিতে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
কালীগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড মূলগাঁও চরপাড়া গ্রামের মৃত কাদির মোল্লার রিকশা চালক ছেলে মোশারফ হোসেন জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রা হতে সকাল নয়টার দিকে মুনশুরপুর গ্রামের সোলেমান হোসেনের ছেলে মাদকাসক্ত মেহেদী বালীগাঁও ফাহিম গেইট যাবে বলে তার অটোরিকশায় উঠে। পরে মেহেদী সেখানে না নেমে রিকশাযোগে পৌর মেয়রের বাড়ির রাস্তা দিয়ে যেতে বলে।

রিকশাচালক নিরুপায় হয়ে তাকে নিয়ে ওই রাস্তা দিয়ে বাইপাস হয়ে পৌরসভা সংলগ্ন শহীদ ময়েজউদ্দিন সড়কের তার বাবার হোটেলের সামনে এসে অটোরিকশাটি থামাতে বলে। মাদকাসক্ত মেহেদী রিকশা থেকে নেমে চালক মোশারফকে ভাড়া না দিয়ে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। পাশে রাজধানী টু হোটেলের মালিক আলম ভূইয়ার বড় ভাই কাজল হোসেন হোটেল থেকে বের হয়ে রিকশা চালককে ভাড়া পরিশোধের জন্য মেহেদীকে বলে। এতে মেহেদী ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে কাজলকে মারধর করতে থাকে। হৈচৈ শব্দ শুনে হোটেলের পিছন থেকে হোটেলের মালিক আলম ভূইয়া ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তাকেও মেহেদী ও তার ভাই শাকিল ও তাদের পরিবার লোকজন তাকেও মারধর করে।

এই ঘটনা শুনে বাড়ি থেকে আলমের বড় ভাই কালীগঞ্জ পৌর যুবলীগের সভাপতি মো. বাদল হোসেন ঘটনাস্থলে আসলে তার ওপর হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি হামলা চালায় । এতে তার ডান পায়ে হাটুর বাটি ভেঙ্গে যায়। পরে তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রাজধানী টু হোটেলের মালিক আলম ভূইয়া জানায়, মাদকাসক্ত মেহেদী অটোরিকশা চালকের ভাড়া না দিয়ে তাকে মারধর করায় তার বড় এর ন্যায়সঙ্গত প্রতিবাদ করে। অটোরিকশা চালককে ভাড়া দেয়ার জন্য বললে মেহেদী, শাকিল ও তার পরিবারের লোকজন আলমের বড় দুই ভাই এবং তার ওপর হামলা চালায়। এতে তিন ভাই গুরুতর আহত হয়।

কালীগঞ্জ থানার ওসি একেএম মিজানুল হক বলেন, এই সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ