বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৭:১৩ অপরাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English

খালেদা জিয়া প্যারোলে মুক্ত পেলে লন্ডন যেতে পারবেন
মোঃ একদিল হোসেন বার্তা সম্পাদকঃ সন্ধান বাংলা টিভি / ৭৬ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

প্যারোলে মুক্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লন্ডন যাওয়ার পথ সুগম হচ্ছে। শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে বিদেশে যেতে দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের হাইকমান্ডের মনোভাব ইতিবাচক বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে ঢাকায় অবস্থানকারী খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা সরকারের উচ্চপর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে তাঁদের সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগ ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র কালের কণ্ঠকে এ তথ্য জানিয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন, খালেদা জিয়া বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং বিদেশ যেতে পারবেন না—এই শর্তে প্যারোলে মুক্তি পান। তাই তাঁকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যেতে চাইলে সরকারের অনুমতি নিতে হবে।খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘ম্যাডাম ও তাঁর পরিবার তো উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে চাইবেন। কারণ মুক্তির উদ্দেশ্যই ছিল উন্নততর চিকিৎসা, সেটা তো সফল হয়নি। তবে বিষয়টি নির্ভর করছে সরকারের মনোভাব তথা হিসাব-নিকাশের ওপর। সরকার চাইলে সব কিছু পারে। আমি মনে করি, ম্যাডাম যদি যেতে চান, তবে বিশেষ বিমানে করে তাঁকে যেতে দেওয়া উচিত।’

সূত্র জানিয়েছে, সমঝোতার অংশ হিসেবেই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন এবং একই প্রক্রিয়ায় চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাবেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থেকেই প্যারোলে খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য চেষ্টা করে আসছিল তাঁর পরিবার। শেষ পর্যন্ত গত ২৫ মার্চ তিনি মুক্তি পান। সেই থেকে নিভৃত জীবন যাপন করছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে চিকিৎসার জন্য গেলেও তাঁর জীবনযাপন ব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন হবে না। কারণ শর্ত অনুযায়ী তাঁকে সেখানেও নীরব ভূমিকা পালন করতে হবে।

সরকারের সূত্রটি দাবি করেছে, খালেদা জিয়া লন্ডনে চিকিৎসার জন্য গেলেও প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে পারবেন না বলে সরকারের শর্তের মধ্যে রয়েছে। শর্ত সাপেক্ষে মুক্তির পর থেকে গুলশানের ভাড়া বাসায় যেভাবে বসবাস করছেন, লন্ডনে ঠিক তেমনি থাকবেন। প্রকাশ্য কোনো মন্তব্য, বক্তব্য ও বিবৃতি দেওয়া থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকারও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। মুক্তি ছয় মাসের জন্য দেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে চিকিৎসার প্রয়োজন দেখিয়ে এই মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ